রাজশাহী নগরীতে নিজ বাড়ি থেকে বেলী খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে নগরীর কেদুর মোড় এলাকার ওই বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বেলী খাতুন ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। চার ছেলেমেয়ে দেশের বাইরে থাকেন। ফলে বাড়িতে তিনি একাই বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির এক ভাড়াটিয়া দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও বেলী খাতুনের কোনো সাড়া পাননি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে তাঁর মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাছুমা মুস্তারী জানান, বেলী খাতুনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য রামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে নগরীর কেদুর মোড় এলাকার ওই বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বেলী খাতুন ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। চার ছেলেমেয়ে দেশের বাইরে থাকেন। ফলে বাড়িতে তিনি একাই বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির এক ভাড়াটিয়া দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও বেলী খাতুনের কোনো সাড়া পাননি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে তাঁর মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাছুমা মুস্তারী জানান, বেলী খাতুনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য রামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :